টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তটা সুখকর হলো না বাংলাদেশের জন্য। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারের আগেই ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানে অলআউট হয়ে যায় টাইগাররা। সহজ লক্ষ্য তাড়া করে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান।
বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়
শুরুতেই টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দ্রুত উইকেট হারিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে দল। সেই চাপ সামাল দেন পারভেজ হোসেন ইমন। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে তার ব্যাট থেকেই।
শুরুতেই টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দ্রুত উইকেট হারিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে দল। সেই চাপ সামাল দেন পারভেজ হোসেন ইমন। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে তার ব্যাট থেকেই।
মিডল অর্ডারে সাইফ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন ইমন। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে গড়েন ৯২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। মনে হচ্ছিল এই জুটিতেই লড়াকু পুঁজি পাবে বাংলাদেশ। কিন্তু জুটি ভাঙতেই আবারও ধস নামে। শেষ দিকে আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি, ১৬০ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
আফগানদের ঠান্ডা মাথার জবাব
১৬১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বোলাররা চেষ্টা করলেও উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন।
দলের জয়ের নায়ক রহমত শাহ। অপরাজিত ৬৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শাহিদি। ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তিনি।
ফাইনালের যে সমীকরণ ছিল
এই ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার। ফাইনালে যেতে হলে শুধু জিতলেই হতো না, আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে হতো টাইগারদের। ব্যাট হাতে কম রান করার পর বোলারদের সামনে সেই কঠিন সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ, আর জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটল আফগানিস্তান।